ঢাকা মঙ্গলবার, ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ২৩ আশ্বিন ১৪২৬, ০৮ সফর ১৪৪১

মুফাসসিলের ফেসবুকীয় আসাদ প্রেমের ভেতরগত কিছু তথ্য

মুফাসসিলের ফেসবুকীয় আসাদ প্রেমের ভেতরগত কথাগুলো বেশ মজার.. কিছুটা শকড হবেন যদি জানেন যে,

হাসিব আর রহমান 

… শেখ হাছিনা, প্রশাসনসহ পুরো বাংলাদেশকে গালী-গালাজ করে মুফাসসিল ঐ ভিডিওটা আপলোড দিয়েছিলো মুলত এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করার জন্য।

প্রথমত: এই ভিডিওর সূত্র ধরে যাতে প্রশাসন আসাদ নূরের পেছনে লাঠির প্যাদানোটা আর একটু জোরে দেয়। ব্যাখ্যাটা পরে দিচ্ছি।

দ্বিতীয়ত: ইসলামকে কটাক্ষ করে আসিফ মহি…ন সহ লাক্সারিয়াস জীবন যারা যাপন করে তাঁদের কাতারে নিজেকে শামিল করার জন্য একটু আলোচনায় আসতে চাওয়া।
.
বিদেশে এ্যাসাইলাম নিয়ে যারা কুকুরের মত হাড্ডি কালেক্ট করে খায় তাদের ব্যাপারে একটা পয়েন্ট বেশ ক্লিয়ার। এদেরকে মুলত বিদেশী কোন এনজিওই তেমন গুরুত্ব দিয়ে গ্রহন করে না। বড়জোর এদের জীবন বাঁচানোর একটা মানবিক দায়ভার নেয় তারা। এরা যে এক একটা অর্বাচীন তা যে কোন কেহই বুঝতে পারে। হেফাজতের গণজাগরনটা দেখিয়ে “সমগ্র বাংলাদেশ আমাদের বিরুদ্ধে” তত্ব সামনে এনে কিছু ব্যাক্তি পর্যায়ের মানুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে মুলত আসিফ জার্মানে গিয়েছিলো। এক্ষেত্রে কুকুরের উদহারন দেয়া যেতে পারে!

… রাস্তায় না খেয়ে কোন কুকুর মারা গেলে বা কোন কুকুর আঘাতপ্রাপ্ত হলে অনেকেই তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আসিফের উপর হামলা এবং কিছু এন্টি ইসলাম ব্লগাররা জাস্টিসলী (থাবা বাবাদের হত্যাটাকে তাদের জন্য সঠিক বিচার মনে করি) হত্যা হওয়ার পর আসিফরা নাকের পানি চোখের পানি এক করে কিছু মানুষের কাছে কান্নাকাটি করে সাহায্য নিয়ে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছিলো। সর্বপরি তখন আসিফও একটা দৌড়ানি খাইছিলো।
.
উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে এমন কিছু এনজিও বা দাতব্য সংগঠন আছে যারা পৃথিবীর যে কোন যায়গাতেই যে কোন কেহ অত্যাচারিত হচ্ছে জানলে বা তাদের সাথে ওভাবে যোগাযোগ করতে পারলে তারা সাহায্য করে মানবিক দিক বিবেচনায়। এই কুকুরগুলো বাংলাদেশকে মুলত একটা ধর্মীয় উগ্রবাদী দেশ হিসেবে দেখিয়ে নিজেরা কথিত মুক্তমনা সেজে কুকুরের মত জিহ্বা বের করে লালা ঝড়ায় কিছু পাওয়ার আশায়। কিন্তু এই লালা ঝড়ানোর কাজটাতে দু একজন কিছু হাড্ডি-ঝুটা পেলেও সবাই পায়নি এটাই মুল সমস্যা 

.
ইসলাম বিদ্ধেষি ঐ অঙ্গণটাতে বর্তমানে চরম পর্যায়ের কিছু অস্থিরতা চলছে। এরা এক একজন পরস্পরকে কিভাবে খাঁদে ফালানো যায় সেই চিন্তায় মোটামুটি বিভোর হয়ে থাকে এখন। সেক্ষেত্রে কিছু নারী ঘটিত ব্যাপারও রয়েছে। আসাদ নূরকে বাংলাদেশে পাঠানো এবং তাঁর বাংলাদেশে আসার ব্যাপারটা একদমই সিক্রেট ছিলো যেটা মুফাসসিলসহ অল্প কিছু সহযোগীরাই জানতো। তাই তাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে তারা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে ভাবলে ভুল হবে না। সর্বপরি ভারত থেকে তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছিলো ফুফাসসিলই। যেহেতু তাঁর নামে তারই এলাকায় আমতলী থানা “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ”র পক্ষ থেকে মামলা করা ছিলো তাই সে মামলায় তাকে গ্রেফতার করানো যাবে এটা তারা জানতো।
.
.
মুফাসসিল মানসিকভাবে বিধ্বস্ত এবং কিছুটা পাগল পর্যায়েরই প্রানী.. যারা এই অর্বাচীনকে প্রথম থেকে চেনে তারা ভালো বলতে পারবে সে কোন ধরনের থার্ডক্লাশ পর্যায়ের প্রাণী। সর্বশেষ আসাদকে নিয়ে তার অভিনয়পূর্ন ভিডিওটাতে এই মেসেজটা সহজভাবেই নেয়া যায় যে,
“এটা একটা মাতাল, বিকৃত মস্তিস্কের মানুষ”

যার নিজেরই তেমন কোন থাকার ব্যাবস্থাপণা বা ঠিকমত একটু খেয়ে-দেয়ে বেঁচে থাকার সুজোগ নেই সে এসে সারা বিশ্বে কোথাও বাংলাদেশের কেউ গেলে তাকে আটকে দেবে, ফেরত পাঠাবে, প্রশাসনের এই ছিড়বে ঐ ছিড়বে এসব বলা একজন বড্ড মাতালেরই পরিচায়ক। তবে মুফাসসিল একজন কড়া পর্যায়ের দেশ বিরোধী কারন কলকাতার একদল নাস্তিকদের সাথে তার কিছু উঠাবসা আছে। ইন্ডিয়ার ঐ নাস্তিক এবং কিছু হিন্দুত্ববাদীদের কল্যাণেই তার মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্ধেষটা ভালো করেই ঢুকেছে। সেজন্য প্রায়ই সে তার কথাবার্তায় দেশকে খোচা দেয় এবং দেশকে কটাক্ষ করে থাকে। এমনকি তাদের কথাতেই যদি আসাদকে গ্রেফতার করিয়ে থাকে সেটা অবাক হওয়ার মত ব্যাপার হবে না। কারন কলকাতায় নারী সংশ্লিষ্ঠ কিছু কুকাম করে আসছে আসাদ নূর।
.
.
আসিফ মহি…ন এর উপর নাস্তিকদের বড় একটা অংশই এখন ক্ষ্যাপা! কারন আসিফ যেভাবে নিজের জীবন সাজিয়ে নিতে পেরেছে সেভাবে অন্য কেউ পারেনি। সামান্য ইন্টার পাশ হওয়া সত্বেও ভালো বেতনে চাকরি করে, লাক্সারিয়াস জীবন যাপন করে, কিছুদিন আগে বিয়েও করে নিয়েছে, সাংসারিক খুনসূটি ফেসবুকে শেয়ারও করে প্রতিনিয়ত। এগুলো দেখে নাস্তিকদের একটা বড় অংশ জ্বলেপুড়ে মরছে যে জন্য আসিফের সাথে যারাই ভিড়তে চায় তাদের সাথে পারস্পরিক একটা দ্বন্ধ লেগে যায় নিজেদের মধ্যে। যে দ্বন্ধেই মুলত মুফাসসিল আর আসিফের মধ্যে একটা স্ন্যায়ু যুদ্ধ আছে। মুফাসসিলের ইচ্ছে ছিলো সে-ও জার্মানে যাবে এবং পাকা টয়লেটের ঘ্রাণ নেবে কিন্তু এক কুকুর যেমন আর এক কুকুরকে সহ্য করতে পারে না তেমনি জার্মানে অন্য কেহ এসে আসিফের যায়গা দখল করুক এটা সে চায় না। আসাদ নূর আসিফের সাথে ভিড়তে চেয়েছিলো বলেই মূলত মুফাসসিল গং ক্ষেপেছিলো। আসিফ আসাদের মধ্যকার যোগসূত্র ছিলো মাসুদ নামের সদ্য ইসলাম বিদ্ধেষী হুজুর মহোদয়। যাকে আসিফ কিছুটা টেকনিক্যালী গ্রহণ করে নিয়েছে। যিনি নেপাল থেকে জার্মান যাওয়ার বহুত চেষ্টা করেও এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। তবে তিনিও যে নিজ সম্প্রদায় থেকেই লাত্থিটা খাবেন এটা কিছুটা বলে দেয়াই যায়। কেবল সময়ের অপেক্ষা…
.
মুফাসসিলের ভিডিওটা যদি প্রশাসন দেখে তাহলে তারা আসাদ নূরের উপর ব্যাক্তিগতভাবেই ক্ষেপে যাবে এটা সে জানতো বলেই এভাবে উম্মাদের মত ভিডিওটা আপলোড দিয়েছে। মুফাসসিল সবসময়েই কিছুটা দৌড়ের উপর থাকে। পেট চালানোর জন্য এই দৌড়টা তার সব সময়েই দৌড়াতে হয় সেজন্য যারা মুফাসসিলের দু একটা ভিডিও দেখেছেন তারা দেখে থাকবেন সব সময়েই রাস্তা ঘাটে তাকে ভিডিও লাইভে আসতে হয়।

তার সম্বলও এই ভিডিও লাইভটুকুই.. এর বেশি কিছু নাই। সে বিকৃতি পর্যায়ে গিয়ে ধর্মীয় উম্মাদ বা মুসলমানদেরকে চরমভাবে কটাক্ষ করে ভিডিও আপলোড দেয় যাতে একদল হুজুগেরা এগুলোতে লাইক কমেন্ট করে তাকে আলোচনায় রাখে। যাতে করে সে কিছুটা হলেও সুজোগ অর্জনের প্রচেষ্টা করতে পারে। যদিও এত বছরেও তার সে অর্জণ শূণ্যের কোঠায়।
.
.
এই উগ্র এন্টি ইসলাম গোষ্টির আয়ূ ফুরিয়েছে অনেক আগেই… তাদের নিজেদের খুড়ে নেয়া গর্তে নিজেরাই পড়ছে এখন। পরস্পর পরস্পরের সাথে যেভাবে লাগছে আরো অনেক আগ থেকেই তাতে এদের জন্য আমাদের পরিশ্রম আর না করলেই চলবে। নিজেরা নিজেরাই ধ্বংশ হয়ে যাবে ধিরে ধিরে। তবে পরিশ্রমটা আমরা চালিয়েই যাবো ইনশাআল্লাহ… কারন এদের পরিচয় নাস্তিক নয় বরং এরা বিকৃত পর্যায়ের এন্টি-ইসলাম ট্রলবাজ.. যারা ইসলামের প্রতিটি শিয়ার এবং আল্লাহ রাসূল স. কে নিয়ে বিকৃত পর্যায়ের ট্রল করে থাকে। শব্দ দিয়ে ব্যাঙ্গ করে, বিকৃত ছবি আপলোড করে উল্লাস করে এরা। ভিডিও গুলোতেও ধর্ম এবং ইসলাম নিয়ে এরা হিপোক্রেট টাইপের কথা বলে।

এদের সাথে সুস্থ ধারার বিতর্ক করার চেয়ে এভাবে আটকে দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা বা যারা পারে তাদের জন্য থাবা বাবাদের ইতিহাস রচিত করাটাই সমাধান।
.
.
.
পরিশেষে আন্তরিক অভিন্দন জানাই “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ” আমতলী থানা শাখার সভাপতি সাহেবকে যিনি এমন বীরত্বপূর্ন কাজটা করে আসাদ নূরের মত একটা অর্বাচীনকে জেলে আটক করাতে পেরেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

December 2019
S S M T W T F
« Nov    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
shares