বুধবার, ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

উস্তাদ-শাগরেদের ভালবাসার এক ঝলক! – মুফতী রিজওয়ান রফিকী

  

 

প্রাণপ্রিয় উস্তাদে মুহতারাম
অাল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহ।
সময়ের জন নন্দিত একটি তারকা।
জেনারেল এবং ইসলামিক শিক্ষায় তিনি
একজন জ্বলন্ত প্রদীপ।
ইলমের দরসগাহে তিনি একজন যোগ্য শাইখুল হাদিস।
রাজপথে তিনি একজন সিপাহসালার,
রাজনিতির ময়দানে তিনি একজন যোগ্য নেতা।
বয়ানের ষ্টেইজে তিনি নাম্বার ওয়ান মাঠ কাঁপানো বক্তা।
পারিবারিক ভাবে তিনি সময়ের অন্যতম সম্ভ্রান্ত পরিবারের নেক সন্তান।
অাদাবে,অাখলাকে তিনি একজন নবি সঃ এর সাচ্চা অনুসারি,
মোট কথা যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরী।
শাইখ ইবনে শাইখ।
অামি ব্যক্তিগত ভাবে ধন্য এমন একজন মহান
মানুষের সরাসরি ছাত্র হতে পেরে।

রবের মেহেরবানী-
গতকাল উত্তরার ঐতিহ্যবাহী বায়তুল মুমিন মাদরাসার মাহফিলে বা’দ এশা মুত্তাছিল বয়ান ছিল অামার।
একই ষ্টেইজে বয়ান ছিল উস্তাদে মুহতারাম অাল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহ’র।
উস্তাদ-ছাত্র একই ষ্টেইজে বয়ান করার স্বাদই অালাদা।
এ মজা উপলব্ধি করা যায়, বাট বুঝানো সম্ভব নয়।

Image may contain: one or more people and outdoor

উস্তাদের অাগে ছাত্রের বয়ানের এ সময়টুকু অানন্দের বরং মহানন্দের।
অালহামদুলিল্লাহ।
গতকাল সে অানন্দটা অামিই উপভোগ করেছিলাম পূর্ণাঙ্গভাবে।
মন খুলে কথা বলার পরিবেশও ছিল বেশ।
লোকের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মত।
চারিদিকে শুধু মানুষ অার মানুষ।
মাহফিলের ষ্টেইজ,প্যান্ডেল,লাইটিং,সাউন্ড,ডেকোরেশন অল সাইড ছিল মনোমুগ্ধকর।
এজন্য অবশ্য বন্ধুবর মুহতারাম নিয়ামতুল্লাহ অামিন হাফিযাহুল্লাহ’র অবদান ১০০ ভাগ।
অার রুচিসম্মত এ মানুষটির রুচি দেখলে যে কেউ তার ভালবাসায় ব্যাকুল হয়ে যাবেন।
উত্তরার অন্যতম একজন অালেম তিনি।
কোনো অহংকার নেই। উদারতা এবং মহব্বতের খাযানা রয়েছে তাঁর বুকে।
সত্যিই অসাধারণ অাখলাকের মানুষ তিনি।
উত্তরার জনসাধারণ যে মহব্বত করেন তাঁকে সেটা ভাষায় প্রকাশ সম্ভব নয়।
তিনদিন ব্যাপী এ সুবিশাল প্রোগ্রাম তিনি কি সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করেন!
উত্তরায় বায়তুল মুমিন নামে একটি মানসম্মত কওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন ইতিমধ্যে।
ছাত্র উস্তাতদের তা’যীম ও খেদমত মনে রাখার মত।
অাসলে মুহতামিম যদি ভালো হন তার অাছর ছাত্র উস্তাদদের প্রতিও পড়বে এটাই স্বাভাবিক।
(তাক্বাব্বালাল্লাহুল্লাহ ওয়া বারাকাহুল্লাহু ফি হায়াতিহী)

এশা মুত্তাসিল পাক্কা দুই ঘন্টা অালোচনা করলাম।
চতুর্দিকে শুধু শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছিল
পুরো এলাকা।
ফালিল্লাহিল হামদু জামিঅা।

এরপরই উস্তাদে মুহতারাম অাসবেন।
চেয়ার ছেড়ে পাশেই বসে গেলাম অনেকদিন
পর হলেও সবক শুনবো।

কিছুক্ষণের ভেতরেই শ্লোগান অার শ্লোগান।
নেতা তুমি এগিয়ে চলো,
অামরা অাছি তোমার সাথে।
মুক্তির একপথ,ইসলামী খেলাফত।
মামুন সাহেবের অাগমন,
শুভেচ্ছা স্বাগতম।
উত্তরা বাসীর পক্ষ থেকে,
লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।

মনমোহনে খুশির বন্য বয়ে চলছিল।
আর কেনই বা হবে না?
অামার নিজের প্রসংসা কেউ করলে যতটুকু না ভালো লাগে,
তার চেয়ে বেশি অানন্দ পাই অামার কোনো উস্তাদের প্রসংসা কেউ করলে।
ফালিল্লাহিল হামদ।

হযরত আসছেন।
প্যান্ডেলের ভেতর প্রবেশ করলেন।
চারিদিকে ত্রুত ত্রুত বাসীর অাওয়াজ,
চতুর্পার্শ্বে স্বেচ্ছাসেবকদের লোকজনের জ্যাম সরিয়ে সামনে অাসার সু-ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন অামার প্রাণপ্রিয় উস্তাদকে।
অাহ!
দৃশ্যগুলো বারবার অামাকে উজ্জিবিত করছিল।

উস্তাদের সন্মানে দাঁড়িয়ে গেলাম।
ষ্টেইজের সবাই দাঁড়ালেন।
ষ্টেইজে উঠতেই খেয়াল করলাম শায়খ
সবার সাথে মোসাফাহা করে ধীরে ধীরে
চেয়ারের দিকে এগোচ্ছেন।
চেয়ারে কাছে অাসতেই অামার প্রতি নজর পড়তে না পড়তেই নূরে নূরে অালোকিত উজ্জল চেহারার সেই
মুচকি হাসি দিলেন।
যেন হাসি থেকে মুক্ত ঝরছিল।
বরকতের হাতে হাত দিয়ে মোসাফাহা করলাম।
মোসাফাহা করেই হাজার হাজার মানুষের সামনে ক্ষুদ্র এ ছাত্রটিকে বুকে টেনে নিলেন।
অাহ্!
শায়খের সাথে যখন মোঅানাকা করছিলাম
তখন কলিজাটা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল।

তবে জনগনের জন্য এটাও সবক হয়ে থাকবে,
কওমী মাদরাসায় উস্তাদ-ছাত্রের কেমন সম্পর্ক হয়ে থাকে।
রবের শুকরিয়া।
হযরতের পায়ের গোড়ায় বসেই পুরো বয়ান শুনছিলাম।

হযরত! খুব অাদরর করেই
জিজ্ঞাসা করতেছিলেন-
ভালো অাছো না ?

যাইহোক,
চেয়ারে বসলেন।
বয়ান শুরু করলেন।
সুবহানাল্লাহ!
কি গভীরের বয়ান!
জাতীয় ও অন্তর্জাতিক বিষয়ে কি চমৎকার অালোচনা।
কত গভীরের ভাবনা যে উলামায়ে কেরাম করেন তা শায়খের বয়ান না শুনলে সাধারণ জনতে বুঝবে না।
সত্যিই ওসাম বয়ান।

শহীদি চেতনায় উজ্জিবিত জনগন শ্লোগান দিতে দিতে কত শ্রোতার যে গতকাল গলার স্বর ভেঙ্গেছে তার হিসেব নেই।
ফালিল্লাহিল হামদ।

বয়ানের পর সাধারণ উচ্চ শিক্ষিত জনগন বলছিল হুজুর! বাংলাদেশের কর্মকান্ড গুলো এত গভীর ভাবে অাপনারা যেমন ভাবেন অামরা তেমন ভাবি না।
সত্যিই অসাধারণ সত্য কথা বলেছেন অাপনি।

অালহামদুলিল্লাহ।
বয়ান থেকে নেমে হযরতের সাথে থাকা ক্লাসমেট ইমদাদ ভাই ও অাব্দুল্লাহ অাশরাফ ভাইকে হযরত জিজ্ঞেস করছিলেন রিজওয়ান কই?
অামি ততক্ষণ হুজুরের পেছন পেছন চলছিলাম।
উপচে পড়া জনতার ভিড়ে অামি জ্যাম বানিয়ে হযরতকে কষ্ট দিতে চাইনি বলে কাছে যাচ্ছিলাম না।

মেহমান খানায় ঢোকার অাগেই ঠিক জনগন হালকা হলেই হযরতে কাছে চলে এলাম।
হযরতেই সামনে যেতেই সেই নূরাণী হাসি অাবার উপহার পেলাম।
কেমন অাছো হ্যাঁ?
জ্বী হযরত অালহামদুলিল্লাহ।
বলেই বিছানার এক সাইডে ফ্লোরে বসতে চাইলাম।
কারণ উস্তাদের সমানে সমানে বসা অামাদের কওমী মাদরাসায় অামরা অাদবের খেলাফ মনে করি।
কিন্তু হযরত হাত ধরে টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে বসালেন।
একজন নগন্য ছাত্রের জিবনে এর থেকে বড় পাওয়া অার কি হতে পারে?
হালাত জিজ্ঞেস করে বললেন-
: প্রতিদিন প্রোগ্রাম করো?
: জ্বী হযরত।
: না না।প্রতিদিন করবা না।
জিবনের দিকে খেয়াল করতে হবে।
অন্তত সপ্তাহে তিনদিন খালি রাখার চেষ্টা করবা।
রিস্কের প্রোগ্রাম গুলো ভেবে চিন্তে নিবা।
খুব হেফাযতের সাথে চলবা।
দূর সফরে ছোট গাড়ি ব্যবহার না করে এ,সি বাস বা বিমানে যাবা।
দেখো এ ক’দিনে কত বক্তা এক্সিডেন্ট করল?
সাবধানে চলবা।
এক কথায় একজন সাচ্চা এবং উদার শিক্ষক ছাত্রের প্রতি যা নসিহত করা দরকার করলেন।
ফালিল্লাহিল হামদ।

সর্বপরি একটি কথায় বলবো-
ইলমে,হিলমে,ইখলাসে,ইবাদতে,দরসে,সিয়াসাতে,কিতাবাতে,খিতাবাতে,কিয়াদাতে অল দ্য বেষ্ট।
শায়খ অাল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহ।
এগিয়ে যান রবের মেহেরবানীতে।
ফালিল্লাহিল হামদু জামিঅা….উস্তাদ-শাগরেদের ভালবাসার এক ঝলক!
লেখক: মুফতী রিজওয়ান রফিকী।

প্রাণপ্রিয় উস্তাদে মুহতারাম
অাল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহ।
সময়ের জন নন্দিত একটি তারকা।
জেনারেল এবং ইসলামিক শিক্ষায় তিনি
একজন জ্বলন্ত প্রদীপ।
ইলমের দরসগাহে তিনি একজন যোগ্য শাইখুল হাদিস।
রাজপথে তিনি একজন সিপাহসালার,
রাজনিতির ময়দানে তিনি একজন যোগ্য নেতা।
বয়ানের ষ্টেইজে তিনি নাম্বার ওয়ান মাঠ কাঁপানো বক্তা।
পারিবারিক ভাবে তিনি সময়ের অন্যতম সম্ভ্রান্ত পরিবারের নেক সন্তান।
অাদাবে,অাখলাকে তিনি একজন নবি সঃ এর সাচ্চা অনুসারি,
মোট কথা যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরী।
শাইখ ইবনে শাইখ।
অামি ব্যক্তিগত ভাবে ধন্য এমন একজন মহান
মানুষের সরাসরি ছাত্র হতে পেরে।

রবের মেহেরবানী-
গতকাল উত্তরার ঐতিহ্যবাহী বায়তুল মুমিন মাদরাসার মাহফিলে বা’দ এশা মুত্তাছিল বয়ান ছিল অামার।
একই ষ্টেইজে বয়ান ছিল উস্তাদে মুহতারাম অাল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহ’র।
উস্তাদ-ছাত্র একই ষ্টেইজে বয়ান করার স্বাদই অালাদা।
এ মজা উপলব্ধি করা যায়, বাট বুঝানো সম্ভব নয়।

উস্তাদের অাগে ছাত্রের বয়ানের এ সময়টুকু অানন্দের বরং মহানন্দের।
অালহামদুলিল্লাহ।
গতকাল সে অানন্দটা অামিই উপভোগ করেছিলাম পূর্ণাঙ্গভাবে।
মন খুলে কথা বলার পরিবেশও ছিল বেশ।
লোকের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মত।
চারিদিকে শুধু মানুষ অার মানুষ।
মাহফিলের ষ্টেইজ,প্যান্ডেল,লাইটিং,সাউন্ড,ডেকোরেশন অল সাইড ছিল মনোমুগ্ধকর।
এজন্য অবশ্য বন্ধুবর মুহতারাম নিয়ামতুল্লাহ অামিন হাফিযাহুল্লাহ’র অবদান ১০০ ভাগ।
অার রুচিসম্মত এ মানুষটির রুচি দেখলে যে কেউ তার ভালবাসায় ব্যাকুল হয়ে যাবেন।
উত্তরার অন্যতম একজন অালেম তিনি।
কোনো অহংকার নেই। উদারতা এবং মহব্বতের খাযানা রয়েছে তাঁর বুকে।
সত্যিই অসাধারণ অাখলাকের মানুষ তিনি।
উত্তরার জনসাধারণ যে মহব্বত করেন তাঁকে সেটা ভাষায় প্রকাশ সম্ভব নয়।
তিনদিন ব্যাপী এ সুবিশাল প্রোগ্রাম তিনি কি সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করেন!
উত্তরায় বায়তুল মুমিন নামে একটি মানসম্মত কওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন ইতিমধ্যে।
ছাত্র উস্তাতদের তা’যীম ও খেদমত মনে রাখার মত।
অাসলে মুহতামিম যদি ভালো হন তার অাছর ছাত্র উস্তাদদের প্রতিও পড়বে এটাই স্বাভাবিক।
(তাক্বাব্বালাল্লাহুল্লাহ ওয়া বারাকাহুল্লাহু ফি হায়াতিহী)

এশা মুত্তাসিল পাক্কা দুই ঘন্টা অালোচনা করলাম।
চতুর্দিকে শুধু শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছিল
পুরো এলাকা।
ফালিল্লাহিল হামদু জামিঅা।

এরপরই উস্তাদে মুহতারাম অাসবেন।
চেয়ার ছেড়ে পাশেই বসে গেলাম অনেকদিন
পর হলেও সবক শুনবো।

কিছুক্ষণের ভেতরেই শ্লোগান অার শ্লোগান।
নেতা তুমি এগিয়ে চলো,
অামরা অাছি তোমার সাথে।
মুক্তির একপথ,ইসলামী খেলাফত।
মামুন সাহেবের অাগমন,
শুভেচ্ছা স্বাগতম।
উত্তরা বাসীর পক্ষ থেকে,
লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।

মনমোহনে খুশির বন্য বয়ে চলছিল।
আর কেনই বা হবে না?
অামার নিজের প্রসংসা কেউ করলে যতটুকু না ভালো লাগে,
তার চেয়ে বেশি অানন্দ পাই অামার কোনো উস্তাদের প্রসংসা কেউ করলে।
ফালিল্লাহিল হামদ।

হযরত আসছেন।
প্যান্ডেলের ভেতর প্রবেশ করলেন।
চারিদিকে ত্রুত ত্রুত বাসীর অাওয়াজ,
চতুর্পার্শ্বে স্বেচ্ছাসেবকদের লোকজনের জ্যাম সরিয়ে সামনে অাসার সু-ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন অামার প্রাণপ্রিয় উস্তাদকে।
অাহ!
দৃশ্যগুলো বারবার অামাকে উজ্জিবিত করছিল।

উস্তাদের সন্মানে দাঁড়িয়ে গেলাম।
ষ্টেইজের সবাই দাঁড়ালেন।
ষ্টেইজে উঠতেই খেয়াল করলাম শায়খ
সবার সাথে মোসাফাহা করে ধীরে ধীরে
চেয়ারের দিকে এগোচ্ছেন।
চেয়ারে কাছে অাসতেই অামার প্রতি নজর পড়তে না পড়তেই নূরে নূরে অালোকিত উজ্জল চেহারার সেই
মুচকি হাসি দিলেন।
যেন হাসি থেকে মুক্ত ঝরছিল।
বরকতের হাতে হাত দিয়ে মোসাফাহা করলাম।
মোসাফাহা করেই হাজার হাজার মানুষের সামনে ক্ষুদ্র এ ছাত্রটিকে বুকে টেনে নিলেন।
অাহ্!
শায়খের সাথে যখন মোঅানাকা করছিলাম
তখন কলিজাটা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল।

তবে জনগনের জন্য এটাও সবক হয়ে থাকবে,
কওমী মাদরাসায় উস্তাদ-ছাত্রের কেমন সম্পর্ক হয়ে থাকে।
রবের শুকরিয়া।
হযরতের পায়ের গোড়ায় বসেই পুরো বয়ান শুনছিলাম।

হযরত! খুব অাদরর করেই
জিজ্ঞাসা করতেছিলেন-
ভালো অাছো না ?

যাইহোক,
চেয়ারে বসলেন।
বয়ান শুরু করলেন।
সুবহানাল্লাহ!
কি গভীরের বয়ান!
জাতীয় ও অন্তর্জাতিক বিষয়ে কি চমৎকার অালোচনা।
কত গভীরের ভাবনা যে উলামায়ে কেরাম করেন তা শায়খের বয়ান না শুনলে সাধারণ জনতে বুঝবে না।
সত্যিই ওসাম বয়ান।

শহীদি চেতনায় উজ্জিবিত জনগন শ্লোগান দিতে দিতে কত শ্রোতার যে গতকাল গলার স্বর ভেঙ্গেছে তার হিসেব নেই।
ফালিল্লাহিল হামদ।

বয়ানের পর সাধারণ উচ্চ শিক্ষিত জনগন বলছিল হুজুর! বাংলাদেশের কর্মকান্ড গুলো এত গভীর ভাবে অাপনারা যেমন ভাবেন অামরা তেমন ভাবি না।
সত্যিই অসাধারণ সত্য কথা বলেছেন অাপনি।

অালহামদুলিল্লাহ।
বয়ান থেকে নেমে হযরতের সাথে থাকা ক্লাসমেট ইমদাদ ভাই ও অাব্দুল্লাহ অাশরাফ ভাইকে হযরত জিজ্ঞেস করছিলেন রিজওয়ান কই?
অামি ততক্ষণ হুজুরের পেছন পেছন চলছিলাম।
উপচে পড়া জনতার ভিড়ে অামি জ্যাম বানিয়ে হযরতকে কষ্ট দিতে চাইনি বলে কাছে যাচ্ছিলাম না।

মেহমান খানায় ঢোকার অাগেই ঠিক জনগন হালকা হলেই হযরতে কাছে চলে এলাম।
হযরতেই সামনে যেতেই সেই নূরাণী হাসি অাবার উপহার পেলাম।
কেমন অাছো হ্যাঁ?
জ্বী হযরত অালহামদুলিল্লাহ।
বলেই বিছানার এক সাইডে ফ্লোরে বসতে চাইলাম।
কারণ উস্তাদের সমানে সমানে বসা অামাদের কওমী মাদরাসায় অামরা অাদবের খেলাফ মনে করি।
কিন্তু হযরত হাত ধরে টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে বসালেন।
একজন নগন্য ছাত্রের জিবনে এর থেকে বড় পাওয়া অার কি হতে পারে?
হালাত জিজ্ঞেস করে বললেন-
: প্রতিদিন প্রোগ্রাম করো?
: জ্বী হযরত।
: না না।প্রতিদিন করবা না।
জিবনের দিকে খেয়াল করতে হবে।
অন্তত সপ্তাহে তিনদিন খালি রাখার চেষ্টা করবা।
রিস্কের প্রোগ্রাম গুলো ভেবে চিন্তে নিবা।
খুব হেফাযতের সাথে চলবা।
দূর সফরে ছোট গাড়ি ব্যবহার না করে এ,সি বাস বা বিমানে যাবা।
দেখো এ ক’দিনে কত বক্তা এক্সিডেন্ট করল?
সাবধানে চলবা।
এক কথায় একজন সাচ্চা এবং উদার শিক্ষক ছাত্রের প্রতি যা নসিহত করা দরকার করলেন।
ফালিল্লাহিল হামদ।

সর্বপরি একটি কথায় বলবো-
ইলমে,হিলমে,ইখলাসে,ইবাদতে,দরসে,সিয়াসাতে,কিতাবাতে,খিতাবাতে,কিয়াদাতে অল দ্য বেষ্ট।
শায়খ অাল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহ।
এগিয়ে যান রবের মেহেরবানীতে।
ফালিল্লাহিল হামদু জামিঅা….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Archives

November 2020
S S M T W T F
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
shares