বুধবার, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৫ হিজরি
মাজলূম কুরআনের পাখীদের সাহায্যে এগিয়ে আসুন!
অনেক মসজিদ অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। সেসব মসজিদগুলিতে মক্তব/মাদরাসা চালু করা ঈমানী দায়িত্ব। অনেকে প্রশ্ন করে ওরা তো স্থায়ী নয়, তাহলে আপনারা মসজিদ-মাদরাসা করে কী করবেন? আমাদের স্পষ্ট উত্তর- ওরা স্থায়ী নয় সেটি জেনেই আমরা কাজ করছি এবং রোহিঙ্গারা যতোদিন থাকবে, আমাদের কাজও ততোদিনই।
দেশের ভালোর জন্যও কাজগুলি দরকার। কেননা, ওলামায়ে কেরাম ও দীনি শিক্ষা না থাকলে ওরা নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়বে। দীনি শিক্ষার গন্ডিতে থাকলে দেশ নিরাপদ থাকবে বলে বিশ্বাস করি। তবে নেতৃত্বে থাকতে হবে ওলামায়ে কেরামকেই। নাহয় দেশীয় বর্বররা ওদের দিয়ে দেশে বিশৃংখলার সৃষ্টি করাবে।
ছবিতে যে দৃশ্যটি দেখছেন, এটি বড় বাজেটের একটি মসজিদ। এ মসজিদটি আমরা করিনি। কিন্তু মসজিদটি পড়ে ছিলো অবহেলিত অবস্থায়। আমি আলেম ডেকে মক্তব চালু করি। এখন ২/৩শ ছাত্র-ছাত্রী আছে এখানে। ওদের মক্তব মুনাসিব পোশাক নেই। ওস্তাদদের বেতনও নির্ধারণ করা হয়নি। পড়ালেখার আসবাবও কম। তাই হৃদয়বান ব্যক্তিদের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। অনুদান দিতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন।
নিবেদক :
হাবিবুর রহমান মিছবাহ