শনিবার, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

একজন রোহিঙ্গা মেয়ের জীবনি থেকে!

কক্সবাজার ডায়মন্ড হোটেলের মালিক কাসেম ভাই!
ওনি জানালেন !
একদিন হোটেল অফিসে বসে আছি,হঠাৎ আনুমানিক ২০ বছরের মেয়ে আমাকে সালাম দিয়ে সামনে দাড়ালো !
এবং আমার কাছে একটা কাজ চাইলো!
তার কোলে এক দেড় বছরের বাচ্চা ছিল! মেয়েটা রোহিঙ্গা ছিল! তাই সবকিছু শুনে আমার হোটেলে পরিচ্ছন্ন কাজে নিয়োগ দিলাম! অফিস রুমে বসে সি সি ক্যামেরায় ওর গতিবিধি পর্যবেক্ষন করতে লাগলাম! হঠাৎ একদিন ৫ম তালায় লক্ষ করলাম মেয়েটি একটি রুমের ভিতর ঢুকলো প্রায় ৪০ মিনিট হলো কিন্ত বের হচ্ছেনা ! আমার মধ্যে একটা খারাপ সন্দেহ তৈরি হলো!
কর্মচারী মারফত খবর নিলাম রুমটি ভাড়াও হয়নি, আমার সন্দেহ আরো বেড়ে গেল! নিজে ৫ম তালায় গেলাম গিয়ে দরজা একটু ফাক করে দেখি বাচ্চাটা এক পাশে ঘুমাচ্ছে আর বিধবা মেয়েটা জায়নামাজে দাড়িয়ে নামাজ পড়ছে আর অঝোর ধাড়ায় কাদছে ! দৃশ্যটা দেখে নিজেকে অপরাধি মনে হলো খারাপ চিন্তা করার কারনে!
মেয়েটাকে অফিসে ডাকলাম ,খোজ নিয়ে নিয়ে জানতে পারলাম সে কুরআনের হাফেজা ,সামিটাকে বার্মার হায়েনারা শহিদ করে দিয়েছে ! মেয়েটার কন্ঠে কুরআন তিলাওয়াত শুনতে চাইলাম সে সুরা মায়েদা থেকে তিলাওয়াত করে শুনালো ,কি চমৎকার তিলাওয়াত! পরে ওপারে অবস্থান রত ওর মা বাবাকে এনে আমার হোটেলের পাশে একটা কাজে লাগিয়ে দিলাম !
ঘটনাটা কিছু আগের ! কাসেম ভাই মেয়েটিকে বিবাহের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন!
তিনি যখন মেয়েটার ঘটনা বর্ননা করছিলেন তখন নিজের অজান্তেই চোখ থেকে পানি ঝরছিল!
আল্লাহ তুমি রোহিঙ্গা বোনদের হেফাজত করো!
আল্লাহ ওদের হেফাজত করো!

Default Ad Content Here

Archives

May 2026
S S M T W T F
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031