• আসসালামুআলাইকুম, আমাদের ওয়েবসাইটে উন্নয়ন মূলক কাজ চলিতেছে, হয়তো আপনাদের ওয়েব সাইটটি ভিজিট করতে সাময়ীক সমস্যা হতে পারে, সাময়ীক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

শুক্রবার, ১০ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি কমছে না: বিটিআরসি

 

বাংলাদেশে আজ থেকে রোজ সকালে আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকরের আগেই তা স্থগিত করেছে টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

এর আগে এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে রোববার সন্ধ্যায় ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখতে সব ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপি, মোবাইল অপারেটর এবং ওয়াইম্যাক্স অপারেটরদের নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি।

সংস্থাটির সচিব ও মুখপাত্র সারওয়ার আলম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, সরকারের কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার প্রেক্ষাপটে সকালে ইন্টারনেটের গতি কমানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে।

সকালে বিটিআরসি থেকে সব ইন্টারনেট গেটওয়েকে নতুন এক নির্দেশনা পাঠিয়ে বলা হয়েছে, আইএসপি ও মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেটের গতি কমানোর বিষয়ে আগের নির্দেশনা স্থগিত থাকবে।

যদিও সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে মিঃ আলম সরাসরি কিছু জানাননি।

ইন্টারনেটের গতি কমানোর ফলে ব্যাংক, বিমান চলাচল, আউটসোর্সিংসহ অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন জরুরী সেবা বাধাগ্রস্ত হবার আশংকা দেখা দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত আসে।

এর আগের নির্দেশনায় এ মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত সকাল আটটা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছিল।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ জানিয়েছিলেন, সরকারের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মিঃ মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে এর আগে বলেছেন, সরকারের নির্দেশনায় ইন্টারনেটের গতি সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

“আমরা দেখছি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বেশ কিছু অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক কিছু পাচার হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। সেটা নিয়ন্ত্রণের জন্য এটা একটা চেষ্টা মাত্র।”

“কতটা সফল হবে এ চেষ্টা তা আমরা এখনো নিশ্চিত না।”

এর আগে গতরাতে ধীর গতিতে ইন্টারনেট চালানোর সিদ্ধান্ত পরীক্ষামূলক-ভাবে বাস্তবায়ন করেছে বিটিআরসি।

এর অংশ হিসেবে রোববার রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টা পরীক্ষামূলক-ভাবে দেশের সব ইন্টারনেট প্রোভাইডারের ব্যান্ডউইথ প্রতি সেকেন্ড ২৫ কিলোবাইটের মধ্যে সীমিত রাখা হয়। সে সময় কার্যত বন্ধই ছিল ইন্টারনেট।

বাংলাদেশে এই মূহুর্তে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা আট কোটির বেশি। যার বড় অংশটি মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।

বাংলাদেশে ২০১৫ সালে জঙ্গিদের যোগাযোগের পথ বন্ধ করার কারণ দেখিয়ে একবার ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছিল।

পরে ইন্টারনেট চালু হলেও সে সময় ২২ দিন বাংলাদেশে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বেশ কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ রেখেছিল সরকার।

BBC

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

January 2020
S S M T W T F
« Dec    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
shares