শনিবার, ১৮ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি

কাদিয়ানীরা কেন কাফের? পর্ব ০৪

কাদিয়ানীরা কেন কাফের? 

—————————————————

কুরআনকে মনগড়া ব্যাখ্যার ছলে অস্বীকার করা বা রাসূলের (সা.) স্পষ্ট তাফসীরকে এড়িয়ে যাওয়া যেমন কুফরি, তেমনি হাদীসে মুতাওয়াতিরকে অস্বীকার করাও উম্মতের সর্বসম্মত মতে কুফরি।

হাদীসে মুতাওয়াতির (আরবী : حدیث متواتر) ঐ সমস্ত সহীহ হাদীস যার বর্ণনাকারীর সংখ্যাধিক্যতা এবং বিশ্বস্ততার দরুন স্বভাবতঃ মিথ্যার উপর ঐক্যবদ্ধ হওয়া অসম্ভব বলে বিবেচিত হয়েছে।
______
ইজমায়ে উম্মত (আরবী : اجماع امت) দ্বারা প্রমাণিত যে, কিয়ামত নিকটবর্তী সময়ে ইসরাঈল গোত্রীয় নবী ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ.) ঊর্ধ্বাকাশ থেকে এ পৃথিবীতে আগমন করে দাজ্জালসহ ইয়াহুদীদের নির্মূল করবেন। তিনি শুকরের মাংস এবং মদ্ধপান নিষিদ্ধ করবেন। তিনি খ্রিস্টানদেরকে ইসলামে দীক্ষিত করবেন এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শরীয়ত মেনে চলবেন।

মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর ধর্মবিশ্বাস, চারিত্রিক গুনাবলী, বংশীয় পরিচয় এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সে প্রতিশ্রুত ঈসা মসীহ হতে পারে না। অথচ সে নিজেকে ঈসা মসীহ বলে দাবী করত।

ফলে এমন কুফরি বিশ্বাস যে প্রতিষ্ঠা করে, প্রচার করে এবং লালন করে; নিঃসন্দেহে সে কাফের। সুতরাং আহমদীয়া মুসলিম জামাত নামধারী “কাদিয়ানিরা” কাফের।

Archives

July 2022
S S M T W T F
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031