শনিবার, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা সফর, ১৪৪২ হিজরি

জগতখ্যাত দা’য়ী মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের অমূল্য কয়েকটি খাছ নসিহত

আমিনুল ইসলামঃ

চার জায়গাতে ৪জিনিসের হেফাজত করা খুবই জরুরী,
১.মজলিসে জবানের
২.বাজারে চোখের
৩.দস্তারখানায় পেটের
৪. নামাজে দেমাগের।
.
আরো বললেন, ৪টি জিনিস যা খুবই সর্তকতার সাথে সর্বাবস্হায় হেফাজত করা ফরজ,
১.চোখের হেফাজত
২.জবানের হেফাজত
৩.কানের হেফাজত
৪. দ্বীলের হেফাজত (শিরিক থেকে পাক রাখা)
.
গল্পের মধ্যখানে একবার বললেন , আমার শায়েখ হযরতজী হাজী ছাহেব দাঃবাঃ বলেছেন , দৈনিক ৪টি কাজ অবশ্যই করা চাই,
১. প্রতিদিন তেলাওয়াত
২. প্রতিদিন দাওয়াতের মেহনত
৩.দৈনিক লম্বা সময় প্রাণ ভরে দোয়া করা।
৪.শেষ রাতে তাহাজ্জুদের এহতেমাম করা।
.
অন্য আরেক সময় বললেন, মাওলানা ৪টি কাজের এহতেমাম ছাড়া কখনো বুযুর্গি লাভ করা সম্ভব নয়,
১.তাকবিরে উলা
২. মেসওয়াক
৩.নফলিয়াতের এহতেমাম
৪.সকাল বিকাল তিন তাছবিহ আদায়।

. আরো কিছু নসিহত শুনার আগ্রহ প্রকাশ করলে বললেন , বেটা ৪টি কারনে দ্বীনের উপর চলা সম্ভব হয়না ,
১.বিলাসিতা
২.গাফলাতি
৩.লৌকিকতা
৪.সেচ্চাচারিতা
.
উলামাদের খাছ এক মজলিসে বললেন, চারটি জজবার কুরবানী না হলে দ্বীনের হাকীকত কখনো আসবে না,
১.আরামের জজবা
২.মালের জজবা
৩.বড়ত্বের জজবা
৪.খাহেশাতের জজবা।
.
বললেন , প্রত্যেক ঈমান ওয়ালার ৪টি কাজ জরুরী,
১.ঈমানকে শিখা -দাওয়াতের দ্বারা
২.ঈমানকে পাকানো-কষ্ট মুজাহাদার দ্বারা ৩.ঈমানকে বাঁচানো- আখলাকের দ্বারা
৪.ঈমানকে ছড়ানো-হিজরতের দ্বারা।
.
তিনি আরো বললেন, যখন পরস্পরে বিবেদ তৈরি হবে তখন আর কোন আমলই আসমানে উঠবে না । তাই পারস্পারিক মহব্বত আর ঐক্য প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরী। ইস্তেমায়িতের জন্য চারটি
কাজ করতে হবে।
১.বিনয়,ধৈর্য ও ক্ষমা করা
২.পরামর্শ করে কাজ করা
৩.অর্থ ও স্বার্থের চিন্তা বাদ দিতে হবে।
৪.ব্যক্তিত্ব , হছদ ও অহংকার ত্যগ করা।
.
বিদায় বেলা সর্বশেষে দুটি নসিহত করলেন, তার মধ্যে ১টি হলো, দ্বীনের যাবতীয় কাজে ৪টি বিষয়কে অবশ্যই একত্রে রাখতে হবে, দাওয়াত, তালিম, জিকির ও জেহাদ।
১.দাওয়াতঃ তালিম, জিকির, জেহাদ ছাড়া ক্যনভাসার।
২.তালিমঃ জিকির, জিহাদ ও দাওয়াত ছাড়া গ্রীজার পার্দ্রী।
৩.জিকির(তাযকীয়া) : দাওয়াত, তালিম, জেহাদ ছাড়া সন্নাসী।
৪.জিহাদ: দাওয়াত, তালিম (শরীয়ত) ও জিকর ছাড়া ধোকাবাজী।
.
সর্বশেষে বললেন, মাওলানা সারা দুনিয়াতে ৪লাইনে দ্বীনের মেহনত চলছে, সব মেহনত কামিয়াব হবে না, ঐমেহনত কামিয়াব হবে যে মেহনতের মিল রাসুলের মেহনতের সাথে হবে । সকল মেহনত ওয়ালাই কামিয়াব হবে না বরং সেই কামিয়াব হবে যার জিন্দেগী রাসুলে পাক সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লামের জিন্দেগীর সাথে মিল হবে।
.
৪লাইনে যে সব মহনত চলছে গোটা পৃথিবীতে তা হলো,
১.কলমঃলেখা লেখি ও অধ্যায়ন গ্রন্হ প্রকাশ।
২.কওলঃ সভা সেমিনার সেম্পুজিয়াম।
৩.ক্বলবঃ তাযকীয়া জিকির আজকার ও আত্বশুদ্ধি খানকা।
৪ ক্বদমঃ মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়া এবং আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল কে ব্যয় করা।
রাসুল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লাম এর
কাছে থেকে ছাহাবারা এই ৪র্থ মেহনতটি শিখে সাড়া দুনিয়াতে কদম ফেলে ছড়িয়ে পড়েছিলেন । যেখানে তাদের ক্বদম পড়েছে সেখানেই কলম কলব আর কওলের মেহনত জিন্দা হয়েছে। আজ আমরা ঐ প্রথম মেহনতটা ভুলে গেছি।
—————————————
আল্লাহ প্রতিটি উপদেশ আমাদেরকে বুঝার ও অনুধাবন করার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Archives

September 2020
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
shares