Today is Friday & October 18, 2019 (GMT+06)

New Muslim interview ebook

জাগ্রত কবি মুহিব খানের একান্ত সাক্ষাৎকার

পুরো নাম মুহিব্বুর রহমান খান, জন্ম কিশোরগঞ্জ শহরে ১৯৭৯ অক্টোবরে। ষোড়শ শতকে মুসলিম মধ্য এশিয় অঞ্চল থেকে পূর্বসূরিদের বাংলাদেশে আগমন। পারিবারিক ঐতিহ্য, ইসলামী শিক্ষা দাওয়াত ও সংগ্রামের ইতিহাসে সমৃদ্ধ। উপমহাদেশের বরেণ্য আলেমে দ্বীন, দার্শনিক, রাজনীতিক, প্রাজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান মাওলানা আতাউর রহমান খানের কনিষ্ঠ পুত্র তিনি।

পড়াশুনা:
তাকমীল ফিল হাদিস ওয়াল উলূমিল ইসলামিয়া, ১৯৯৮ ( বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়াহ বাংলাদেশ )।
স্নাতকোত্তর “রাস্ট্র বিজ্ঞান” ২০০৪( জাতিয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ )

বর্তমান কর্মক্ষেত্র: -প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ” ইসলামিক কালচারাল ইন্সটিটিউট” ( আই সি আই)।
-সম্পাদক, সাপ্তাহিক লিখনী।

১. লেখালেখির সূচনা কবে থেকে?
-কৈশোর থেকেই।

২. নিয়মিত লেখালেখি করেন?
– নিজের নিয়মে।

৩. লেখালেখির ক্ষেত্রে কার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ পেয়েছেন?
– পরিবার থেকেই।

৪. লেখালেখির ক্ষেত্রে আপনার প্রেরণা ও আদর্শ কে?
-নির্দিষ্ট কেউ নন।

৫. প্রিয় বই?
– ইতিহাস, রাজনীতি, দর্শন, আত্মজীবনী।

৬. প্রিয় লেখক?
– নির্দিষ্ট কেও নন।

৭. প্রিয় মুহূর্ত?
– পরিবারের সাথে কাটানো সময়।

৮. কোন সময় লিখতে ভালোবাসেন?
– যখন ইলহাম হয়।

৯. প্রিয় স্থান?
-মদীনা মুনাওয়ারা, মুসলিম স্মৃতি বিজড়িত ইউরোপ, নিজ শহর কিশোরগঞ্জ।

১০. প্রিয় পর্যটন স্থান?
– সমুদ্র ও নদীতীর, বিশ্বের উন্নত শহর, ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

১১. স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা?
– পথ তৈরি করে যাওয়া, যে পথে পরবর্তিরা নির্বিঘ্নে চলবে।

১২. প্রিয় রং?
– সাদা এবং যেখানে যে রং মানায়।

১৩. প্রিয় পাখি ও প্রাণী ?
– ঈগল, ঘোড়া

১৪. প্রিয় ফুল ও ফল ?
– গোলাপ, আম।

১৫. প্রিয় খাবার?
– বেগুন ভাজা, পোলাও, গোশত, বিরিয়ানি, সুস্বাদু বিদেশী খাবার।

১৬. প্রিয় কবি?
– মির্জা গালিব, ইকবাল ও নজরুল।

১৭. প্রিয় কাজ?
– চিন্তা ভাবনা।

১৮. সর্বাধিক পঠিত বই?
– পাঠ্যবই।

১৯. প্রিয় মাদরাসা?
– আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া, কিশোরগঞ্জ।

২০. প্রিয় মানুষ?
– সন্তান।

২১. প্রিয় ব্যক্তিত্ব?
– আব্বা

২২. প্রিয় ফেসবুক লেখক?
– নির্দিষ্ট নয়।

২৩. প্রথম লেখা প্রকাশ? কবে কোথায়?
– দৈনিক ইনকিলাব, ১১ বছর বয়সে।

২৪. এখন কী পড়ছেন?
– ফিকহ, দর্শন ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব।

২৫. এখন কী লিখছেন?
– আল কোরানের কাব্যানুবাদ ( দ্বিতীয়ার্ধ)

২৬. জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি?
– প্রথম বই প্রকাশ, মুজদালিফায় রাত্রিযাপন, রওজা যিয়ারত।

২৭. জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা কী?
– বিদেশ ভ্রমণ।

২৮. জীবনের সবচেয়ে মজার ঘটনা কোনটা?
– সোনারগাঁ পানাম নগর ভ্রমন, চাঁদের আলোয় মরুভূমিতে বসে আস্ত খাশি দিয়ে ডিনার।

২৯. জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা কী?
– আব্বার ইন্তেকাল।

৩০. দৈনিক কুরআন তেলাওয়াত করা হয়?
– চেষ্টা করি।

৩১. তাহাজ্জুদ আদায় করা হয়?
– অনিয়মিত।

৩২. জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?
– ভাল ও বড় কিছু করা।

৩৩. শখ কী?
– সুস্বাদু খাবার ও বিশ্ব ভ্রমণ।

৩৪. এই যে লেখালেখি, এ নিয়ে জীবনের সমাপ্তি বেলায় কী দেখতে চান?
– সারাজীবনের পরিশ্রম বৃথা যায়নি।

৩৫. কোন ধরনের বই পড়তে পছন্দ করেন এবং কেন করেন?
– সত্য ও মানবতার জন্য উপকারি যে কোন বই। নিজে আলোকিত হয়ে বিশ্বকে আলোকিত করার জন্য।

৩৬. আমাদের নবী ছাড়া কোন নবীকে বেশি ভাল লাগে? কেন?
– হযরত ইব্রাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাকে পিতাও মনে হয়।

৩৭. কোন সাহাবীকে বেশি ভাল লাগে? কেন?
– হযরত উমর ফারুক রা.।
ইলম, তাকওয়া, সাহস, বুদ্ধিমত্তা, হক বাতিলের পার্থক্য করনে তিনি নবী সুলভ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।

৩৮. কোন তাবেয়ীকে বেশি ভাল লাগে? কেন?
– হযরত ইমাম আবু হানিফা র.।
শরিয়তকে সুরক্ষিত রুপ দেয়ার জন্য।

৩৯.কোন ইমামকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
– যারা দ্বীনকে সবার জন্য সহজ করতে চেয়েছেন।

৪০. কোন বুযুর্গকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
– হযরত থানবী রহ.,নিজের চেয়ে সাধারণের জন্য চিন্তা বেশী করেছেন।
হযরত ইলিয়াস রহ., দ্বীনের দাওয়াত কথায় নয় কাজে দেখিয়েছেন।

৪১. আমাদের আকাবিরদের মধ্যে কাকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
– হযরত হাফিজ্জি হুজুর রহ.। ইসলামী রাজনীতিকে দৃশ্যমান করে তুলেছেন।

৪২. কোন বীর মুজাহিদকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
– ফকির মজনু শাহ। বৃটিশ বিরোধী স্বসস্ত্র সংগ্রামের জনক।

৪৩. প্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কে?
– মাহাথির মোহাম্মাদ।

৪৪. দীর্ঘদিনের জন্যে কারাবাসে যেতে হলে, কুরআন-হাদীস ছাড়া আর কী বই সাথে নেবেন?
– কুর’আনের কাব্যানুবাদের কাজ শেষ করবো।

৪৫. যুবকদের জন্য আপনার কিছু বলার আছে?
– আবেগ ও বিবেকের সমন্বয়ে চলতে হবে।

৪৬. ফেসবুক ইউজার/লেখকদের উদ্দেশ্যে কিছু নসীহত?
– অযথা সময় নষ্ট করা যাবেনা।

৪৭: প্রিয় উক্তি?
– “ইন্নামাল আ’মালু বিন নিয়াত”

৪৮. নিজের লেখা কবিতার প্রিয় দুটি লাইন?
– আমায়তো ভাই আমার পথেই চলতে হবে/ একটু সয়ে সামলে নিও তোমরা সবে।

৪৯. সফল রাজনীতিবিদের সন্তান ও রাজনীতির ছাত্র হিসেবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কি ভাবছেন?
– শ্রেনী ধর্ম নির্বিশেষে একটি কল্যাণমুখী রাজনৈতিক শক্তির উত্থান দরকার।

৫০. বাংলাদেশে ইসলামী মিডিয়ার প্রয়োজনীয়তা ও ভবিষ্যত কী?
– প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম, তবে বিনা চ্যালেঞ্জে প্রতিপক্ষ ছাড় দেবে না। লড়াই করেই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে হবে।

৫১.প্রিয় পোষাক?
– সাদা পাঞ্জাবী, পাজামা।

৫২. প্রিয় বাহন?
– উন্নত মানের গাড়ী।

৫৩. নিজের কবিতা ও সংগীতের মধ্যে কোনটা প্রিয়?
– কবিতা আমার মুক্তি, সংগীত আমার শক্তি।

৫৪. কবি না সংগীত শিল্পি?
– কবি হিসেবে সম্মানিত, সংগীত শিল্পি হিসেবে জনপ্রিয়।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাকিব মুস্তানসির

পরমাণু যুদ্ধ শুরু করতে এশিয়ায় এসেছেন ট্রাম্প: উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির প্রতিক্রিয়ায় পিয়ংইয়ং বলেছে, কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু যুদ্ধ শুরু করার লক্ষ্যে এশিয়া সফর করছেন ট্রাম্প।

দেশটি আরো বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ‘ভবঘুরে সফর’ উত্তেজনা ও একটি পরমাণু যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি ছাড়া অন্য কোনো ফল বয়ে আনবে না।

ট্রাম্প গত কয়েকদিনে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফরে গিয়ে উত্তর কোরিয়াকে একটি স্বৈরতান্ত্রিক দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পিয়ংইয়ং-এর ব্যাপারে আমেরিকার কৌশলগত ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। তিনি আবারো উত্তর কোরিয়াকে ধ্বংস করে ফেলার হুমকি দেন।

তার এ হুমকির প্রতিক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়ার সরকারি দলের মুখপত্র দৈনিক রডং সিনমুন এক সম্পাদকীয়তে লিখেছে, ট্রাম্প শুধুমাত্র উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দেয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সফর করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প- উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন

সম্পাদকীয়তে আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী নীতির অন্ধ অনুসরণ করার জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে দায়ী করে বলা হয়, এতসব বিদ্বেষী তৎপরতা ও চাপ প্রয়োগ সত্ত্বেও নিজের সামরিক শক্তি ও সমরাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসবে না পিয়ংইয়ং।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী মনোভাবের কারণে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কে উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। মার্কিন সরকার উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

কিন্তু পিয়ংইয়ং বারবার বলে এসেছে, দেশটির বিরুদ্ধে আমেরিকা ও তার মিত্রদের হুমকি বন্ধ না হলে এসব পরীক্ষাও বন্ধ হবে না। এমনকি আমেরিকার বিরুদ্ধে আগাম হামলারও হুমকি দিয়ে রেখেছে উত্তর কোরিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares