শুক্রবার, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
শনিবার দুপুর দুইটার দিকে তিনি হেলিকপ্টারযোগে বাংলাদেশের সীমান্তে পৌঁছান। সেখানে তিনটি ইউনিয়নের নির্যাতিত রোহিঙ্গা প্রায় ২৪’শ শরণার্থীদের দেবেন অনন্ত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বর্ডার গার্ড বিডিআর ক্যাপ্টেন অাব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানান, অনন্ত জলিল পালিয়ে আসা ২৪’শ রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন। এরমধ্যে ১১০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ বিতরণ করবেন।
বাংলাদেশ সীমান্তে মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষে হেলিপ্যাডে অবতরণ করার পর অনন্ত জলিল প্রথম আলো কে বলেন, ‘নির্যাতিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা করতে অামি এসেছি। এটা কোনও দয়া নয়, এটা জালেমদের হাতে নির্যাতিত মানুষদের অধিকার।’
সমাজের সামর্থবানদের উদ্দেশে জলিল বললেন, ‘অামি সমাজের সামর্থবানদের বলবো, যার যতটুকু সামর্থ অাছে তারা ততটুকু নিয়েই নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশে দাঁড়ান, তাদের সাহায্য করুন।’
বাংলাদেশে গত আট দিনে মিয়ানমার থেকে প্রায় ৬০ হাজার শরণার্থী এসেছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর শনিবার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এসব শরণার্থীর মধ্যে প্রায় সবাই রোহিঙ্গা মুসলিম বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাটি। মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে অব্যাহত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে এসব মানুষ পালিয়ে এসেছে বলে জানায় ইউএনএইচসিআর।
এ অঞ্চলের অমুসলিম নাগরিকদের ভাষ্য, এ পর্যন্ত আরাকানে অন্তত ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে। ১১ হাজার ৭০০ ‘জাতিগত অধিবাসী’ তাদের বাসস্থান ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলেছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার উপগ্রহ চিত্র পাওয়া গেছে।