যে শিক্ষক ছাত্র পেটায়, তার কাছে সন্তানকে দেবেন না।

শিশুকে শিক্ষা দেওয়ার নামে মারধর, অপমান বা ভয় দেখানো—এগুলো কি সত্যিই একজন শিশুকে ভালো মানুষ ও ভালো শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তুলতে পারে?

শাসন ও নির্যাতনের মধ্যে পার্থক্য আছে। একজন শিক্ষক শিশুকে সংশোধন করবেন, পথ দেখাবেন এবং তার ভুল থেকে শেখার সুযোগ তৈরি করবেন। কিন্তু শারীরিকভাবে আঘাত করা বা ভয় দেখিয়ে শিক্ষা দেওয়ার সংস্কৃতি শিশুর মনে দীর্ঘস্থায়ী ভয়, ক্ষোভ ও অনীহা তৈরি করতে পারে।

এই ভিডিওতে আলোচনা করেছেন মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম—কেন সন্তানকে এমন শিক্ষকের কাছে দেওয়া উচিত নয়, যিনি শিক্ষা ও শাসনের নামে ছাত্রদের মারধর করেন।

সন্তানের জন্য শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু পড়াশোনার মান নয়, তাঁর আচরণ, চরিত্র, শিশুদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং শিক্ষাদানের পদ্ধতিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

শিক্ষা হোক ভালোবাসা, প্রজ্ঞা ও চরিত্র গঠনের মাধ্যম—ভয় ও নির্যাতনের নয়।

ভিডিওটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। শিশুদের সুন্দর ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা তৈরি হোক।

আলোচক: মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম

#শিশুশিক্ষা #শিশুনির্যাতন #শিক্ষক #Parenting #childeducation