Today is Saturday & October 19, 2019 (GMT+06)

New Muslim interview ebook

মোলাকাত ০৬ঃ মুফতী হাসান মুহম্মদ জামীল

মুফতী হাসান মুহম্মদ জামীল (দামাত বারাকাতুহুম)। Hasan Jamil

ফাযেলে দারুল উলুম দেওবন্দ।
মুহতামিম: দারুল উলুম রাহমানিয়া মাদরাসা।
খতীব: বায়তুল মা‘মুর। সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ধানমন্ডি, ঢাকা।

বিশিষ্ট দায়ী। মানবদরদী। মুক্তোঝরা আলোচক। কওমী ঘরানার তরুণ প্রজন্মের আদর্শ। বাতিলের আতংক। পিসটিভির আত্মবিশ্বাসী আলোচক।

কিছু মানুষ থাকেন, যাদের চেহারা সুন্দর। আমল সুন্দর। আখলাক সুন্দর। কথা সুন্দর। বার্তা সুন্দর। তিনিও তাই।
.
কিছু মানুষ থাকেন, যারা শত্রু-মিত্র সবার কাছে প্রিয় হন। যারাই তার সান্নিধ্যে যায়, গুণগ্রাহী হয়ে পড়ে। তার ভক্ত হয়ে পড়ে। তাকে ছেড়ে যেতে চায় না। তিনিও তেমন।
.
কিছু মানুষ থাকেন, যাদের জন্মই হয়েছে ভালো কিছু করার জনে। বড় কিছু করার জন্যে। সুন্দর কিছু করার জন্যে। তিনিও তেমন।
.
সামান্য সাক্ষাতকারে তার বর্ণিল জীবনকে ধরা আমাদের সাধ্য নয়। তাহলে? আমরা আসলে চেনার চেষ্টা করিনি। আমরা চেষ্টা করেছি, তার কাছাকাছি যেতে। তার কাছ থেকে কিছু শিখতে। তবে শুরু হোক?
——————
১. লেখালেখির সূচনা কবে থেকে?
-: ছেলেবেলা থেকেই বই পড়তে ভাল লাগত। পরিবারেও পড়াশোনার চল ছিল। ছাত্রজীবনেও সেটা সচল ছিল। দেয়ালিকা ও মাদরাসার অন্যসব ঘরোয়া আয়োজনে একটু-আধটু লিখতে হতো। উড়ন্ত আর দূরন্ত না হোক, মোটামুটি এভাবেই বোধহয় সূচনা হয়েছে।
.
২. নিয়মিত লেখালেখি করেন?
-: কাগজ-কালি নিয়মিতই নষ্ট করি, কী-বোর্ডের হায়াতও কমাই নিয়মিত!
.
৩. লেখালেখির ক্ষেত্রে কার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ পেয়েছেন?
-: অনুপযুক্ত কাউকে কি কেউ উৎসাহ দেয়? তবে নাদিয়াতুল কুরআন প্রকাশনির মালিক শশুর সাহেব ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন বহুবার!!!
.
৪. লেখালেখির ক্ষেত্রে আপনার প্রেরণা ও আদর্শ কে?
-: মাওলানা যাইনুল আবেদীন ভাই, সম্ভবত খুব কাছ থেকে দেখা এবং দীর্ঘদিন একসাথে শিক্ষকতা করার ফলে। তবে কিংবদন্তি মাওলানা মহিউদ্দিন খান হাফিযাহুল্লাহও আছেন!
.
৫. প্রিয় বই?
-: মা-যা খাছিরাল আলম বিন হিতাতিল মুসলিমিন।
.
৬. প্রিয় লেখক?
-: অনারবী মুসলিমদের গর্ব, ওলামায়ে দেওবন্দের মুকুট শাইখ আবুল হাসান আলী নদভী।
.
৭. প্রিয় মুহূর্ত?
-: জালালাইন পড়ি, বৃহস্পতিবার বাসায় এসে শুনি বাবার ভক্ত আলী আহমদ চাচা (রাহি.) আমাকে এ বছর হজ্বে পাঠাচ্ছেন!!
উফ আবেগে কয়েকরাত ঘুম আসেনি!!!
.
৮. কোন সময় লিখতে ভালোবাসেন?
-: আগের কথা মনে নেই, এখন রাস্তায় জ্যামে পড়লে মোবাইলে শুরু হয়ে যায় ঠাস ঠাস মানে স্ট্যাটাস লেখা!
.
৯. প্রিয় স্থান?
-: কা’বার অন্তর্ভুক্ত হাতিমে কা’বা!
.
১০. প্রিয় পর্যটন স্থান?
-: আবুধাবির সমুদ্রের ভিতরে তৈরিকৃত কৃত্রিম শহর!!!
.
১১. স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা?
-: যুগচাহিদা পূরণে সক্ষম একটা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, যেখানে আপনাকেও অবশ্যই দরস দিতে হবে!
.
১২. প্রিয় রং?
-: সাদা, সবুজ।
.
১৩. প্রিয় পাখি?
-: কবুতর।
.
১৪. প্রিয় ফুল?
-: গোলাপ।
.
১৫. প্রিয় খাবার?
-: গরুর গোস্ত ভূনা দিয়ে পান্তা ভাত ( জিবে পানি এসে গেলো ভাই)।
.
১৬. প্রিয় কবি?
-: কাজী নজরুল ইসলাম. আল মাহমুদ, ।
তবে সবচেয়ে অপছন্দের কবি হলো রবীন্দ্রনাথ।
.
১৭. প্রিয় কাজ?
-: বাইতুল্লাহর তাওয়াফ।
.
১৮. সর্বাধিক পঠিত বই?
-: কুরআনুল কারীম ছাড়া অধিক পঠিত কোনো বইয়ের কথা মনে করতে পারছিনা।
.
১৯. প্রিয় মাদরাসা?
-: আমাদের আদর্শের সংযোগ যার সাথে সেই ইলমী মারকাজ দারুল উলূম দেওবন্দ!
.
২০. প্রিয় মানুষ?
-: ফরিদাবাদ মাদরাসার সাবেক শাইখুল হাদীস হযরতুল আল্লামা শাইখ আব্দুল হাফিজ রা.
.
২১. প্রিয় ব্যক্তিত্ব?
-: মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
.
২২. প্রিয় ফেসবুক লেখক?
-: স্নেহের Wali Ullah Arman— Raihan Khairullah — Nuruzzamn Nahid — আরিফ খান সা’দকে ভালো লাগে। তবে ভিন্ন ঘরাণার নয়ন চ্যাটর্জির তথ্যবহুল লেখাগুলোও ইদানিং খুব ভালো লাগছে!
.
২৩. প্রথম লেখা প্রকাশ? কবে কোথায়?
-: অনুবাদগ্রন্থ আফগান রণাঙ্গনে, সম্ভবত ২০০৪-এ (উদাসিনতার আলামত পেলেন?)
.
২৪. এখন কী পড়ছেন?
-: নির্দিষ্ট কিছু একাধারে পড়ার মতো সময়-সুযোগ ও আগ্রহ কোনটাই থাকে না, তাই…………!
.
২৫. এখন কী লিখছেন?
-: কিছু অনুবাদের কাজ চলছে।
.
২৬. কোন বইটি পড়ে সম্মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন?
-: আলোর পরশ।
.
২৭. কোন বইয়ের ছেলে চরিত্রকে দেখে মনে হয়েছে- ইস, আমি যদি এমন হতাম!
-: সাইমুম সিরিজের আহমদ মুসা, সে জন্যে একসময় কারাতেও শিখতাম, ব্রাদার্স ক্লাবের পাশে উস্তাদ ইলিয়াস কুবরার কাছে! ( হা হা হা)
.
২৮. কোন বইয়ের কোন মেয়ে চরিত্রকে দেখে মনে হয়েছে- ইস, আমার যদি এমন কেউ হত!!
-: আহমদ মুসার প্রতি বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ললনারা যখন তাদের দুর্বলতা প্রকাশ করে নানান প্রতিকূলতার মুখেও তাকে ছেড়ে যেতো না, জীবন-মরণ সঙ্গ দিতো………..!!!
.
২৯. জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি?
-: হজ্বের সফরে বিবি সাথে, আছে তিন বছরের বারিরা। আরাফাহ থেকে মুজদালিফায় আসা হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ঙ্করতম কঠিন মুহূর্ত। সারাক্ষণ টেনশনে অন্য দোয়া বাদ দিয়ে সহজ হওয়ার দোয়া করছিলাম মাওলার কাছে, আজও যখন ভাবি, অবিশ্বাস্য মনে হয়, কখন কীভাবে মুযদালিফায় সবার আগে নিরাপদে পৌঁছে গেছি, টেরও পাইনি, আজও পরিষ্কার হয়নি, এটা কুদরতের কারিশমার চাক্ষুষ উপলব্ধি!
.
৩০. জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা কী?
-: দেওবন্দে হঠাৎ ধরপাকড়ের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লো, সব বাংলাদেশীদের ফিরে আসার নির্দেশ জারি হলো, আমরা ক’জন একসাথে প্রথমে কলকাতা এলাম, অবৈধ পথে দেশে ফেরার আতঙ্ক।
দালালের সাথে চুক্তি হলো, সাতক্ষিরা দিয়ে চালান হবো। খোলা ট্রাকে অন্ধকার রাতে, কুরবানীর গরুর মতো, ফরিদপুরের কিছু ছাতার ইঞ্জিনিয়ারের সাথে বর্ডারের দিকে রওয়ানা দিলাম। ট্রাক থেকে নেমে এক ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিলাম। আমাদেরকে জানানো হলো সন্ধ্যা হলে রওয়ানা হবো। ঘরে শুধু একজন নারী বাকী আমরা চারজন পুরুষ।
আমাদেরকে আলুর ভর্তা ডাল দিয়ে খেতে দেওয়া হলো। এক সময় সন্ধ্যা হলো। আশেপাশে বি এস এফ টহল দিচ্ছে। শুনশান নিরবতা। কবরের নিস্তব্ধতা!
সন্ধার পরপর পটকার আওয়াজ পেলাম। আমরা সতর্ক, যেনো যুদ্ধে যাচ্ছি। সেই নারীর পরামর্শে পাঞ্জাবি, গেঞ্জি খুলে উদোম শরিরে সবাইকে কাল্লু চোরার মতো লাগছিল!
আবারো তার ধমক, হুজুর ‘গিরি রাখো, কাচা দেও’, যেমন হুকুম, তেমন কাজ।
মাথার মধ্যে ইয়া বড়া লাগেজ, কিছু কিতাবের কারণে সেটা চালের বস্তা!
নদীর পারে সবাই, কাঁদা-পানি মাড়িয়ে নৌকায় আরোহণ, ভয়ে কাঁপছি থর থর করে। শেষ নিঃশাস যেনো ঈমানের উপর হয় তাই কালিমা পড়ছিলাম তারাবীহর তিলাওয়াতের মতো!
নদী পার হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছলাম। আত্মায় পানি এলো। বি ডি আর আমাদেরকে গুণে গুণে পার করেছে।
এবার সীমান্ত থেকে প্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা, অন্ধকার রাতে পিচ্ছিল এক সরু রাস্তায় আমরা শুধু দৌড়াচ্ছি, সামনে এক দালাল, পিছনে একটা, দু’জনে গালি ঝারছে, যেনো জাপানী মেশিনের প্রডাকশন।
হাঁকাচ্ছে: দৌড়া শালা……………….!
এর মধ্যেই রোমাঞ্চের আরো কতো কাহিনী!
হঠাৎ ঘটলো এক বিপত্তি, সামনের দালাল টের পেলো সামনে বি ডি আরের টহল গাড়ী, আমাদের থামতে বললো, কিন্তু সামনের কয়েকজন ছাড়া কেউ বুঝলো না, পিছনের সবাই যে যেদিকে পারলো পালাতে থাকলো, গাড়ী যাওয়ার পর দালালরা তাদের ভাষায় চেঁচাতে লাগলো, সবাই আবার এক জায়গায় জড়ো হলাম, কিন্তু আমাদের সঙ্গী মীযান নেই, আমি নাম ধরে ডাকলাম, মীযান ভাই…………..!
অবশেষে সাড়া পেলাম, তিনি ধারে কাছে নেই, পাশের পুকুরের মধ্যে অবস্থান করছেন!!!!!!!
ভাই সামনে অনুল্লেখযোগ্য অনেক ঘটনা আছে, পাঠকদের বিরক্ত করতে চাই না!!
.
৩১. জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা?
-: দুঃখজনক ঘটনা দু’টি ;
(ক) বাবাকে হারানোর মুহূর্ত।
(খ) যা আজও আমাকে পীড়া দিয়েই যাচ্ছে। ইসলামবাগ হাদীস পড়াচ্ছিলাম, ফরিদাবাদ মাদরাসায় ডাক পড়ে পড়ে অবস্থা। মাদরাসার স্বার্থে কিছু শর্ত জুড়ে ইসলামবাগ থেকে ইস্তেফা দিয়ে চলে এলাম।
এক সহকর্মী উস্তাদ ক্ষোভ করে বলতেন:
-কোনো মুহতামিম জান্নাতে যাবে না, আংশিক সত্য হওয়ার কিছু নমুনা দেখে এলাম!
যাই হোক ফরিদাবাদের জন্য আলোচনা চলছিলো, সিনিয়র উস্তাদরা প্রস্তাব পাঠালেন দফতরে ইহতিমামে। রামাযানে হযরত মুহতামিম সাহেব ডেকে নিয়ে মাদরাসার রশিদ বই হাতে দিয়ে কাজ শুরু করতে বললেন। প্রায় ছয় লাখ টাকা এলো। সব ঠিকঠাক মতোই চলছিলো। রামাযানের পর শুধু ঘোষণার অপেক্ষা। সদরে মুদাররিস শাইখ হাসসান সাহেব অসুস্থ, বাড়ীতে আছেন।
আবদুল গনি সাহেব আমাকে হুজুরকে আনার জন্য তাঁর কুমিল্লার বাড়ীতে পাঠালেন। যেনো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। হুজুরকে নিয়ে এলাম। মিটিং হলো, লম্বা বৈঠক চললো। বিকেলে মুহতামিম সাহেব হুজুরের চাচা, শাইখ আবদুল .গনি সাহেব জানালেন:
-খিদমত হবে না।
কাউকে কিছু জিজ্ঞেস না করে সোজা বাসায় চলে এলাম। অবসান হলো দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের!!
যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা সবাই আমার উস্তাদ। নানাজন নানা কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করেছেন। আভ্যন্তরীণ কোন্দল, পরিবারতন্ত্রসহ নানা কথা কানে এসেছে। আমি কারও কথায় কান দিইনি। আমার কোনো অনুযোগও নেই। উস্তাদদের জন্য দোয়া করি সেই আগের মতোই!!
দুঃখে কষ্টে আজ প্রায় তিন বছর নিজেকে গুটিয়ে রেখেছি, আর নয়………!
নিজের প্রতিষ্ঠান, এগিয়ে যাচ্ছে, হোকনা কচ্ছপগতি, তাও কারো অবহেলা, খিয়ানত, আর আওয়ামী মার্কা গণতন্ত্রতো আর দেখতে হচ্ছে না!!
.
৩২. দৈনিক কুরআন তেলাওয়াত করা হয়?
-: আলহামদুলিল্লাহ হয়।
.
৩৩. তাহাজ্জুদ আদায় করা হয়?
-: পড়া হয় না, তবে এই প্রশ্নটা আর কাউকে না করলেই ভালো। শাইখ তকী উসমানী (হা.) নফলের ব্যাপারে কাউকে জিজ্ঞেস না করার তাকীদ দিয়েছেন!
.
৩৪. জীবনের লক্ষ্য কী?
-: আল্লাহর দ্বীন যিন্দাহ করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ!
.
৩৫. শখ কী?
-: রামাযানে হারামে ইতিকাফ।
.
৩৬. এই যে লেখালেখি, এ নিয়ে জীবনের সমাপ্তি বেলায় কী দেখতে চান?
-: মানুষের হৃদয়ে নাড়া দেওয়ার মতো কিছু সৃষ্টি রেখে যেতে চাই।
.
৩৭. কোন ধরনের বই পড়তে পছন্দ করেন এবং কেন করেন?
-: মুসলমানদের বিশ্বজয়ের ইতিহাস সম্বলিত বই, যেমন স্পেন বিজয়, ভারত………!
.
৩৮. আমাদের নবী ছাড়া কোন নবীকে বেশি ভাল লাগে? কেন?
-: হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর দৃঢ়তা, আল্লাহর উপর আস্থা, ধৈর্যের চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনই হচ্ছে তার অন্যতম কারণ।
.
৩৯. কোন সাহাবীকে বেশি ভাল লাগে? কেন?
-: হযরত আবু বকর রা.
একমাত্র সাহাবী, যাকে আল্লাহ সাহাবী হওয়ার স্বীকৃতি দিয়েছেন।
( গারে ছুরে, ” যখন একজন তাঁর সঙ্গীকে বললো: আতঙ্কিত হইওনা, আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন” কতো সৌভাগ্যবান তিনি!!)
.
৪০. কোন তাবেয়ীকে বেশি ভাল লাগে? কেন?
-: ইমাম আবু হানিফা (রা.) তাঁর প্রজ্ঞাময় শরঈ ব্যাখ্যার কারণেই আজ কোটি উম্মতের দ্বীন পালন সহজ হয়েছে!
.
৪১. কোন ইমামকে বেশি ভালো লাগে ? কেন?
-: এ ক্ষেত্রে আমি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি। কারণ ইমামে আজমের পাশাপাশি ইমাম মালেক রা. ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রা. ও আমার খুব পছন্দের ব্যাক্তিত্ব।
.
৪২. কোন বুযুর্গকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
-: হাকীমুল উম্মত হযরত থানভী রা., যে কারণে তিনি হাকীমুল উম্মত খেতাব পেয়েছেন!!!
.
৪৩. আমাদের আকাবিরদের মধ্যে কাকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
-: শাইখ মাহমুদ হাসান দেওবন্দী রা., তাঁর ইলমী এবং রাজনৈতিক খেদমতের কারণে!!!
.
৪৪. কোন বীর মুজাহিদকে বেশি ভালো লাগে? কেন?
-: শাইখ উসামাহ বিন লাদেন রা.
রাজকীয় জীবন ছেড়ে জিহাদের মতো অনিশ্চিত জীবনকে একজন পাক্কা ঈমানদারই কেবল গ্রহণ করতে পারে।
.
-আমাদেরকে সময় দেয়ার জন্যে, আপনার জন্যে রইল অফুরন্ত শ্রদ্ধা আর জাযাকাল্লাহ।
-: আপনাদেরকেও।
.
আমরা যারা এই আয়োজনে ছিলাম:
Raihan Khairullah
Nuruzzaman Nahid
Arif Khan Sa’ad

একক্লিকে:
 আমাদের সাক্ষাৎকার

শায়েখ Atik Ullah 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares